• সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

আবারো সংক্রামক বাঁড়ার প্রভাবেই লকডাউন হতে পারে

রিপোর্টারঃ / ২৫১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ শনিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২২

আবারো করোনার সংক্রামক বাড়ার ফলে লকডাউন দিতে পারে এ যা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অসংক্রামক হার বাড়লে লকডাউন এ যেতে হতে পারে বলে খুবই দুঃখজনক

 

 

হিসাবে আমরা মেনে নিই কিন্তু এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক শনিবার বিকালে মানিকগঞ্জ 250 শয্যার হাসপাতালে উদ্বোধনকালে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি জানান

 

এই মুহূর্তে সরকার লকডাউন দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই কারণ কেবল সংক্রমণকে ধকল কাটিয়ে উঠতে ছে বাংলাদেশ তবে সংক্রমণের হার বেড়ে গেলে লকডাউনে যেতে পারে

 

 

 

কেননা যখন লকডাউন দেওয়া হয় তখনই সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব সংক্রমণের হার যখন বেড়ে যায় তখন মানুষের ঘরের বাইরে বের না হলে কিছুটা হলেও এই সংগ্রামকে হার

 

কমানো যায় তিনি আরো বলেন জানুয়ারিতে চার কোটি ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে

 

 

বাংলাদেশ সরকারের এপ্রিল-মে মাসে সারা বাংলাদেশের 12 কোটি মানুষের আমরা সেকেন্ড দিতে পারব বলে আশা করি আমরা দিতে পারব যদি করণা মহামারীর সংক্রান্তির আক্রান্ত আরো

 

 

বেড়ে যায় তাহলে আবারও লকডাউন দিয়ে ভাইরাসের প্রতিরোধ করতে হবে বাংলাদেশকে বাংলাদেশকে আরো শক্তিশালী হয়ে মানুষকে ঘরে থেকে মাস্ক ব্যবহার করে এবং সাবান পানিসহ

 

স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত ধুতে হবে এবং সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং আমাদের অবশ্যই আমাদের যথাযথ দূরত্ব মেনে চলতে হবে.

 

 

করোনার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী যা বলেন টিকাদান কার্যক্রম বেগবান করার জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রতিটি ক্লিনিকসহ প্রতিটি হাসপাতালে

 

যথেষ্ট পরিমাণ টাকার ব্যবস্থা করেছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডঃ সামিউল ইসলাম টিকাদান কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টরের জেলা প্রশাসক এবং

 

জেলা চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন ওই সময় প্রসঙ্গত

 

গত বছরের প্রথম তিনজনের সনাক্ত করা হয় এরপর 10 দিন পর সর্বোচ্চ 18 মার্চ সংক্রামক হলে একজনের মৃত্যু হয় ও 10 আগস্ট 23 সর্বোচ্চ 268 জনের মৃত্যু হয় দেশে করোনাভাইরাস

 

এর প্রথম সর্বপ্রথম রোগী শনাক্ত এবং গত বছর মার্চে দেশে প্রথম অভিশপ্ত

 

সেই সর্বোচ্চ মৃত্যুসংখ্যা 64 জন বাংলাদেশে কোন ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেছে এবং 2019 সালে পর্যাপ্ত পরিমান মানুষ এই রোগের সংক্রামক এর হাত থেকে বাঁচার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল

 

এবং 2020 সালের মানুষ যথেষ্ট সতর্কতার সহিত মহামারী করোনাভাইরাস থেকে যত দূরে এবং মানুষের মাঝে দূরত্ব বজায় রেখে সর্বোচ্চ পরিশ্রমের মাধ্যমে ইউরোপ থেকে ভিতরে রয়েছে

 

তবে বর্তমান আবারও যেহেতু করোনাভাইরাস এর বেগমান বাড়িয়ে গেছে

 

সেহেতু আমাদের আবারো উচিত লকডাউন এর মাধ্যমে নতুবা আমাদের নিজেদের এই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং

 

 

 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের সাবান পানি স্যানিটাইজার সহ নানা রকম সামগ্রী ব্যবহার করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে হবে.তাহলে লকডাউন এর পরিবর্তে আমরা নিজেদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে আমরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করে আবারো সুস্থ সবল এবং সুন্দর ভাবে বসবাস করতে পারব


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন